Remembering filmmaker Rituparno Ghosh

Remembering filmmaker Rituparno Ghosh

𝑾𝒓𝒊𝒕𝒕𝒆𝒏 𝒃𝒚 𝑮𝒖𝒆𝒔𝒕 𝑩𝒍𝒐𝒈𝒈𝒆𝒓Rai Das

#এবং_ঋতুপর্ণ …শুনশান টালিগঞ্জের স্টুডিয়ো পাড়া । লাইট , ক্যামেরা, রোল, অ্যাকসান সব আজ বন্ধ । ছোট বড়ো সিনেমার সেটগুলো নিস্তব্ধ নিশ্চল স্থানুর মতো দাঁড়িয়ে । কোনও টেকনিশিয়ান, স্পটবয় তো দুরের কথা, ওই রোজকার অতিথি শিল্পীর মতো গালভরা নামের আড়ালে কাজ করা এক্সট্রা দের ও দেখা নেই । না এটা কোনও লকডাউনের দৃশ্যপট নয় । তখনো লকডাউন শব্দটার বাঙালীর আঁতুড়ঘরে প্রবেশাধিকার প্রাপ্তি ঘটেনি । ঘটনা টা , আজ থেকে ঠিক আট বছর আগের । ঠিক এরকমই একটা মন খারাপের সকালের ।বিশ্বাস অবিশ্বাসের দোলাচলে শোকস্তব্ধ শহরের অধিকাংশ মানুষের ভিড় গিয়ে জমা হয়েছে সাউথ কলকাতার ১৮/ এ, ইন্দ্রাণী পার্কে । টাই পরা সেক্টর ফাইভের অফিসবাবু থেকে শুরু করে সাধারন খেটে খাওয়া মানুষ কে নেই সেই ভিড়ে । উপলক্ষ, নব্য বাঙালীর কিংবদন্তি চিত্রনির্মাতা ঋতুপর্ণ ঘোষের শেষযাত্রার শরিক হওয়া । মেনস্ট্রিম কমার্শিয়াল ছবির বাইরেও যে বাঙলা ছবিকে নতুন আঙ্গিকে উপস্থাপন করা যায়ে, তা বার বার চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়েছেন ঋতুপর্ণ ঘোষ ।১৯৯২ সালে শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায় এর কাহিনী অবলম্বনে, তাঁর প্রথম ছবি “হিরের আংটি” মুক্তি পায়ে । তারপর দ্বিতীয় ছবি ১৯৯৪ এ, “উনিশে এপ্রিল”, যা তাকে এনে দু দুটো জাতীয় পুরষ্কার । তারপর একের পর এক দহন, বাড়িওয়ালী, উৎসব, চোখের বালি, শুভ মহরৎ , তিতলির মত সব ছবি তাকে করে তোলে ইন্ডাস্ট্রির মধ্যমণি । ঝুলিতে আসে মোট উনিশ টা দেশি বিদেশী পুরষ্কার। জাতীয় পুরষ্কারের সংখ্যা বারো টা । ২০১৩ সালে তাঁর শেষ ছবি সত্যান্বেষী মুক্তি পায়ে তাঁর মৃত্যুর এক বছর পরে । মাত্র ৪৯ বছর বয়সে এসে কার্ডিয়াক এরেস্টে থেমে যায়ে বাঙালিকে তাঁর নিজের মতো করে গল্পবলা এই কাণ্ডারির হৃৎস্পন্দন । যতদিন বাঙালি থাকবে, যতদিন বাঙলা সিনেমা থাকবে, ঋতুদা তোমায় হৃদমাঝারে রাখব, যেতে দেবনা 🙏

Team Boichoi.com

#boichoi

Quick Navigation
×
×

Cart